বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২৬ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে মৌসুমের প্রথম যাত্রা: ৮ শতাধিক পর্যটকের উচ্ছ্বাসে প্রাণ ফিরে পেল প্রবাল দ্বীপ টেকনাফে ১১ লাখ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার হরমুজের কাছে ২টি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের ঝলমলে ত্বকের জন্য ঐশ্বরিয়ার ভরসা মাত্র তিন অভ্যাস যে মোরগের লেজের পালকের দৈর্ঘ্য ৫০ ফুট ঘুরতে যাবেন? জেনে নিন ২০২৭ সালে লম্বা ছুটি পড়বে কোন কোন মাসে সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনা চলছে, জানালো ইরান মিরপুরে টানা তিনদিন ধরে চলছে সংঘর্ষ: জনমনে আতংক ইনানীতে নলকূপ খননে গ্যাস উদগীরণ, মজুত নিরূপণে জরিপ দ্বীপ প্রস্তুত: আজ সেন্টমার্টিন খুললেও যায়নি কোন জাহাজ: চূড়ান্ত অনুমতির অপেক্ষায়

লজ্জায় ক্রিকেট ছাড়েন মোটু ফ্লিনটফ

খেলাধুলা ডেস্ক:

২০০৩ সালে শুরু করা ক্যারিয়ার ১৭ বছর পরও টেনে চলছেন জেমস অ্যান্ডারসন। খেলে ফেলেছেন ১৫৬ টেস্ট। ব্যাটসম্যানদের মধ্যে তিনিই সর্বোচ্চ। কিন্তু মাত্র ৭৯ টেস্টে খেলেই অবসর নিয়ে ফেলেছিলেন অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ। ১৯৯৮ থেকে খেলেছেন ১১ বছর মাত্র। বুলিমিয়া রোগের কারণেই হয়তো আগেই অবসর নিতে বাধ্য হয়েছিলেন বলে এখন মনে হচ্ছে ১৮ বছর পর দেশের মাটিতে ইংল্যান্ডকে অ্যাশেজ জয়ে অন্যতম ভূমিকা রাখা এই অলরাউন্ডার। ক্যারিয়ারের একটা সময় হঠাৎ করেই মোটা হতে শুরু করেন ফ্রেডি। নিজেকে দেখেন নিজেই বিব্রত হতেন। অনেকদিন গোপন রাখলেও ২০১৪ সালে প্রথম রোগটার কথা স্বীকার করেন ‘ফ্রেডি।’ বুলিমিয়া নামের এই রোগটা কখনো পুরোপুরি সেরে তো যায় না, সেটিকে কীভাবে সামলে চলেন, সেই কথাটাই ফ্লিনটফ জানিয়েছেন বিবিসিকে দেওয়া এক প্রামাণ্যচিত্রে।

বুলিমিয়া প্রয়াত প্রিন্সেস ডায়ানারও ছিল। কিশোরীদের মধ্যে এই রোগটি সাধারণত বেশি দেখা যায়, মহিলাদের মধ্যেও দেখা যায়। তবে পুরুষদেরও হতে পারে। ‘ইটিং ডিসঅর্ডার’ নিয়ে গবেষণা করা যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা এএনএডি জানিয়েছে, এই রোগে আক্রান্ত ১৫ শতাংশ রোগীই পুরুষ। এই রোগে ভুগতে থাকা মানুষ সব সময় অতিরিক্ত খাবার খান। এরপর সেই খাবার বের করে দেওয়ার চেষ্টা করে শরীর। কখনো রোগী খাবার খেয়ে বমি করেন। ওজন কমানোর ওষুধ খান। অতিরিক্ত ব্যায়াম করেন। কখনো উপোস করেন। মোট কথা রোগী খাওয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ হারান। মুটিয়ে যাওয়া শরীর নিয়ে লজ্জাবোধ হয় অনেকের, যেমনটা ফ্লিনটফের হয়েছিল।

বুলিমিয়ার সঠিক কারণ এখনো চিকিৎসাবিজ্ঞানে অজানা। তবে জিনগত, পারিবারিক কারণ, শরীরের ওজন সম্পর্কে চিন্তা, শরীরের আকৃতি কম ও বিষণœতার কারণেও রোগটা হতে পারে।

বুলিমিয়া রোগে ভোগার সময়টার বর্ণনা দিতে গিয়ে ফ্লিনটফ বলেন, ‘আমি একজন মোটা ক্রিকেটার হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছিলাম। ভয়াবহ একটা ব্যাপার ছিল সেটা। ওই সময়টাতে খাওয়ার পরে অসুস্থ লাগত।’

‘বুলিমিয়ার সঙ্গে বসবাস’এই শিরোনামের প্রামাণ্যচিত্রে ফ্লিনটফ জানিয়েছেন কীভাবে সমস্যা থেকে উদ্ধার পাওয়া যায়। প্রামাণ্যচিত্রে দেখা গেছে, যে সব মানুষ এই রোগে ভুগেছেন তাদের সঙ্গে দেখা করেন ফ্লিনটফ। এই রোগীদের কোনো পেশাদার সহায়তার প্রয়োজন কি না তাও জানতে চান তিনি।

প্রামাণ্যচিত্রে ফ্লিনটফ বলেছেন, লোকে যতটা ভাবে তার চেয়েও তুলনায় অনেক বেশি লোকে ভুগছে ইটিং ডিসঅর্ডারে। ‘আমি ভাবতেও পারছি না যে এটা নিয়ে কথা বলতে হচ্ছে। আমার বয়স এখন ৪২ বছর। আমি এখনো শতভাগ নিশ্চিত নই যে এই রোগে আমি কতটা ভালো আছি’ হতাশার সুরে বলেন ফ্লিনটফ।

বুলিমিয়ার ওপর বানানো এই প্রামাণ্যচিত্র করতে গিয়ে ফ্লিনটফ এই রোগ সম্পর্কে অনেক কিছু জেনেছেন। আর যারা এই রোগে ভুগছেন তাদের সম্পর্কেও ভালোভাবে জানাতে পেরেছেন। আশার কথা আগের চেয়ে আরও ভালো আছেন ফ্লিনটফ। প্রামাণ্যচিত্রে সেই কথাগুলোই বলেছেন, ‘ব্যাপারটা এমন না যে আমি এই রোগের চিকিৎসা করিয়েছি। আমি এখন ফিট। সবকিছুই করছি। ভালোই আছি। কিন্তু একটা বিষয় বুঝতে পারছি যে আমি আরও ভালো থাকতে পারি।’

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION